করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনা পুরো বিশ্বকেই এখন গ্রাস করে নিচ্ছে। দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা।

বিজ্ঞাপন

মরণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে উতপত্তিস্থল চীন ও মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে থাকা ইতালিকেও ছাড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উঠে এসেছে এখন শীর্ষে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার ৪৬১ জন।

এ নিয়ে দেশটিতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩ হাজার ১১৩ জন, যা গোটা বিশ্বের মধ্যেই সর্বোচ্চ। হাজার ছাড়িয়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মারা গেছেন ১৮২ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৯ জন।

দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৬৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এখনও চিকিৎসাধীন ৮০ হাজারের বেশি। এদের মধ্যে অন্তত ২ হাজার ১১২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই নিউ ইয়র্কে। অঙ্গরাজ্যটি প্রায় ৪০ হাজার মানুষের শরীরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ধরা পড়েছে।

আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে চীন। করোনার উৎস দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি। ফলে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ২৮৫ জনই রয়েছে, আর মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৮৭ জন।

করোনা মহামারিতে রীতিমতো মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইতালি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও ৭১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ২১৫ জনে। একদিনে নতুন আক্রান্ত ৬ হাজার ১৫৩ জন, মোট ভুক্তভোগী ৮০ হাজার ৫৮৯ জন।

পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৯৯টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটি। ইতোমধ্যে করোনা কেড়ে নিয়েছে ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ। আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ লাখেরও বেশি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, সারাবিশ্বে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৪ হাজার ৮৩ জনের। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ১৫০ জনে। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২৬ জন।

এ মুহূর্তে সারাবিশ্বে আক্রান্ত অবস্থায় আছেন ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪১ জন, যাদের মধ্যে ১৯ হাজার ৩৫৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকি ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩৮৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনায় ১৬ শতাংশ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে, সুস্থ হয়েছেন ৮৪ শতাংশ মানুষ।

২৪ ঘন্টা/ রাজীব প্রিন্স