এপেক্সিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে:কৃষিমন্ত্রী

64

কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি আজ রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘এপেক্স বাংলাদেশ’ জেলা ২-এর ৩৮তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

এপেক্স জেলা ২-এর গভর্ণর হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি এপেক্সিয়ান এমএ কাইয়ূম চৌধুরী।

এপেক্স ক্লাব সমাজের কল্যাণ এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে ড. রাজ্জাক বলেন,আজকের সম্মেলনের মধ্যদিয়ে এপেক্স’র কাজকে আরো গতিশীল করবে। এজন্য এপেক্সিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে এপেক্সকে ভূমিকা রাখারও আহবান জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আর্তপীড়িত মানুষের কল্যাণে এপেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি দানবীর রনদা প্রসাদ সাহার জীবনের মানবকল্যাণমুখী নানা কর্মকান্ডের কথা উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

ড. রাজ্জাক এপেক্স’র সদস্যদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে দেশের জন্য অবদান রাখার পাশাপাশি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ নানা অসামাজিক কাজ নির্মূলে সংঘবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থথিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সহসভাপতি নিজাম উদ্দিন পিন্টু, এপেক্স বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন কামাল,অতীত জাতীয় সভাপতিবৃন্দ,এলজিবৃন্দ ও লাইফগভর্নরবৃন্দ,এবং জাতীয় বোর্ডের কর্মকর্তাগণ।

এপেক্সিয়ান রফিকুল ইসলাম জেলা-২ এর গভর্ণর নির্বাচিত হন।

এপেক্স বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন। ১৯৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ার জিলং শহরে তিন তরুণ প্রকৌশলী এই ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের আটটি দেশে সেবা, সৌহার্দ্য এবং বন্ধুত্বের মূলমন্ত্র নিয়ে কাজ করে তরুণদের এ সংগঠন।

বাংলাদেশে ১৯৬১ সালে প্রকৌশলী সুলেমান খান এই সেবা আন্দোলনকে পরিচয় করিয়ে দেন। বর্তমানে সারাদেশে ১৩৫টি ক্লাবের মাধ্যমে ৪ হাজারেরও বেশি সদস্য সমাজের জন্য কল্যাণকর বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।